ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় মাদ্রাসার শিক্ষককে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আবুল কালাম আজাদ নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে জামজামি ইউনিয়নের চরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় ‘বড় হুজুর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় শতাধিক ছাত্রী লেখাপড়া করে এবং তার স্ত্রীও মাদ্রাসার মহিলা শাখায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

অভিযোগকারী ছাত্রীর বাবা সাহানুর রহমানের দাবি, তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক কুপ্রস্তাব দিতেন। বুধবার রাতে মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী থাকা অবস্থায় তার মেয়েকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনার পর স্থানীয়রা মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমানের কাছে বিষয়টি জানতে চান। পরে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তারা অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে জামায়াত নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

চুয়াডাঙ্গায় মাদ্রাসার শিক্ষককে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

আপলোড সময় : ১২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আবুল কালাম আজাদ নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে জামজামি ইউনিয়নের চরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় ‘বড় হুজুর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় শতাধিক ছাত্রী লেখাপড়া করে এবং তার স্ত্রীও মাদ্রাসার মহিলা শাখায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

অভিযোগকারী ছাত্রীর বাবা সাহানুর রহমানের দাবি, তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক কুপ্রস্তাব দিতেন। বুধবার রাতে মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী থাকা অবস্থায় তার মেয়েকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনার পর স্থানীয়রা মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমানের কাছে বিষয়টি জানতে চান। পরে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তারা অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন