ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, আগস্টে ৪৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:২২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

বগুড়ার শেরপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ঢাকাসহ ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ১ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের কারণে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

মির্জাপুর ইউনিয়নের ফিরোজ হোসেন (২৫), খানপুর ইউনিয়নের আব্দুস সালাম (৩১) ও চৌবাড়িয়া গ্রামের সিপ্লব হোসেন (২৩) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আব্দুস সালাম কখনো ঢাকায় যাননি, তবে সিপ্লব ঢাকার মিরপুরে চাকরি করেন এবং সেখানে আক্রান্ত হয়ে শেরপুরে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রুবেল মাহমুদ জনি জানান, তিনি ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় চাকরি করতেন এবং সেখানে অসুস্থ হওয়ার পর শেরপুরে ফিরে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম বলেন, গত এক বছরে যতসংখ্যক ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন, আগস্ট মাসেই তার চেয়ে বেশি—৪৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালের পাশে সোনু সুদ, ত্রাণসামগ্রী নিয়ে পৌঁছেছেন কাঠমুন্ডুতে

শেরপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, আগস্টে ৪৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন

আপলোড সময় : ০১:২২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার শেরপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ঢাকাসহ ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ১ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের কারণে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

মির্জাপুর ইউনিয়নের ফিরোজ হোসেন (২৫), খানপুর ইউনিয়নের আব্দুস সালাম (৩১) ও চৌবাড়িয়া গ্রামের সিপ্লব হোসেন (২৩) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আব্দুস সালাম কখনো ঢাকায় যাননি, তবে সিপ্লব ঢাকার মিরপুরে চাকরি করেন এবং সেখানে আক্রান্ত হয়ে শেরপুরে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রুবেল মাহমুদ জনি জানান, তিনি ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় চাকরি করতেন এবং সেখানে অসুস্থ হওয়ার পর শেরপুরে ফিরে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম বলেন, গত এক বছরে যতসংখ্যক ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন, আগস্ট মাসেই তার চেয়ে বেশি—৪৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন