রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় স্বীকারোক্তি দেওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে মামলার তদন্তকারী দল। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে এই জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (ওসি) জিন্নাত আলীসহ দুজন ডিবি কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগারে প্রবেশ করেন। এর আগে, সোমবার বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম আসামিদের জেলগেটে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালেও আসামিরা আগেই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় নতুন করে পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর না করে কারা ফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ২১ আগস্ট ভোররাতে নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়িতে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, কন্যা আগামী এবং পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী। হত্যাকাণ্ডের পর ২৩ আগস্ট পুলিশ সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে এবং তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
এদিকে, ঘটনার ৯ দিনের মাথায় সংগৃহীত প্রস্রাবের নমুনার ডোপ টেস্ট প্রতিবেদনে দুজনের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। চার খুনের ঘটনায় নেপথ্যে আরও কোনো মূল পরিকল্পনাকারী বা সহযোগী জড়িত আছে কি না, তা খুঁজে বের করার জন্য রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নাগরিক আন্দোলন ও কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 























