বরিশালের ১০০ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গত শনিবার রাত ১২টা থেকে রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত ছয়বার লোডশেডিং হয়েছে, যার মোট সময় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মানবিক কারণে সদর হাসপাতাল ফিডারে সবচেয়ে কম লোডশেডিং দেওয়া হয়।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বরিশাল বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের আওতাধীন পলাশপুর গ্রিড সাব-স্টেশন থেকে সদর হাসপাতাল ফিডার নিয়ন্ত্রিত হয়। শনিবার রাত ১২টা থেকে সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৯ ঘণ্টায় এই ফিডারে মোট ৯ বার লোডশেডিং দেওয়া হয়েছে।
সাব-স্টেশনের বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট আবু জাফর মো. সালেহ জানান, হাসপাতালের জন্য মানবিক কারণে কম লোডশেডিং দেওয়া হয়। তবে সোমবার দুপুরে হাসপাতালে লোডশেডিং চলাকালীন রোগীরা ভ্যাপসা গরমে ভোগান্তিতে ছিলেন। হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটর বহু বছর ধরে বিকল রয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, করোনা মহামারির সময় জেনারেটর সচলের চেষ্টা করা হয়েছিল। লোডশেডিংয়ের কারণে রোগীদের অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।
পলাশপুর সাব-স্টেশনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মীরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে তারা জনরোষের শিকার হওয়ার আতঙ্কে থাকেন। কিছুদিন আগে রাতের লোডশেডিংয়ের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্টেশনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।
অনলাইন ডেক্স 























