ভারতের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাভারের আহমেদ বাবুর মরদেহ দাফন করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে জানাজা শেষে আমিনবাজার বড়দেশী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহতের স্ত্রী গুলশানারা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাকে বিধবা বানাল, আমার দুইটা বাচ্চাকে এতিম করল।” তিনি সরকারের কাছে দুই সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন এবং চাকরির সুযোগের দাবি করেছেন।
নিহতের আট বছরের মেয়ে এলিনা হাসান রোজা বাবাকে হারানোর কষ্টে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “বাবা ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় চকলেট আনত, এখন তো আর কেউ দিবে না।”
আহমেদ বাবুর মরদেহ শনিবার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হয়। রাত ৩টার দিকে সাভারে পৌঁছানোর পর রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
নিহতের বন্ধু মো. ইব্রাহীম বলেন, “বাবু আর আমি একসঙ্গে অনেকবার ইন্ডিয়া গিয়েছি। শেষবার যখন গিয়েছিলাম, ওই হোটেলের এসিতে আগুন লেগেছিল।” বাবুর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী নিহতের রেখে যাওয়া দুই ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার খরচ সরকারকে নিতে হবে বলে দাবি করেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হোটেলটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাভারের আহমেদ বাবুসহ ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 

























