কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কাজী নজরুল ইসলাম হলের দেওয়ালে ‘জেসিডি’ লেখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত ছাত্রদল কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, হল প্রশাসন ও কর্তব্যরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও হুমায়ূন কবীর।
অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীরা হলেন ইংরেজি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মারুফ হোসাইন, শনব দেবনাথ এবং মার্কেটিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাদেক সাকের। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সংঘর্ষের সময় হল প্রশাসন আগের ঘটনার সমাধানের চেষ্টা করছিল।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শনব দেবনাথ সিগারেট মুখে নিয়ে ইলিয়াস শুভকে আঘাত করেন এবং সাদেক সাকের শুভকে গলা জড়িয়ে ধরেন। মারুফ হোসাইনও শুভর ওপর আক্রমণ করেন। পরে মারুফের মুখে রক্ত দেখা যায়।
হল প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ইলিয়াস ইসলাম শুভ ও হুমায়ূন কবীরকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তাদের শহরের একটি মেসে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।
কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হারুন বলেন, ‘প্রথম ঘটনার সুন্দর সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সমাধান হয়নি। দ্বিতীয় ঘটনাটি যেহেতু আমাদের চোখের সামনেই ঘটেছে, তাই আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।’
অনলাইন ডেক্স 

























