ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠিতে আসাদুজ্জামান কামাল ও তার পরিবারের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য তলব

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২২ Time View

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, তার ছেলে শাফি মোদাচ্ছের খান এবং আরও সাতজনের ব্যাংক হিসাবের সব লেনদেনের তথ্য তলব করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউতে পাঠানো চিঠিতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ২১ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা লেনদেনের সব তথ্য চাওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আসাদুজ্জামান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ঘুষ হিসেবে বিপুল পরিমাণ টাকা নিতেন। পুলিশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে এই টাকা আদায় করা হতো। অভিযোগে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছিল।

জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার নিয়োগে এই সিন্ডিকেট ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত নিত। ২০২২ সালের ৩০ জুন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্যও পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া, এনজিও’র ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ পেতে প্রতিটি সংস্থা থেকে ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকা দিতে হতো। ২০১৮ সালে একটি উন্নয়ন সংস্থার এনওসি নিতে গিয়ে মন্ত্রণালয়ে বিপত্তি দেখা দেয়, যেখানে পরে ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠিতে আসাদুজ্জামান কামাল ও তার পরিবারের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য তলব

আপলোড সময় : ০১:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, তার ছেলে শাফি মোদাচ্ছের খান এবং আরও সাতজনের ব্যাংক হিসাবের সব লেনদেনের তথ্য তলব করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউতে পাঠানো চিঠিতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ২১ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা লেনদেনের সব তথ্য চাওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আসাদুজ্জামান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ঘুষ হিসেবে বিপুল পরিমাণ টাকা নিতেন। পুলিশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে এই টাকা আদায় করা হতো। অভিযোগে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছিল।

জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার নিয়োগে এই সিন্ডিকেট ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত নিত। ২০২২ সালের ৩০ জুন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্যও পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া, এনজিও’র ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ পেতে প্রতিটি সংস্থা থেকে ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকা দিতে হতো। ২০১৮ সালে একটি উন্নয়ন সংস্থার এনওসি নিতে গিয়ে মন্ত্রণালয়ে বিপত্তি দেখা দেয়, যেখানে পরে ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন