সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদানের আদেশ জারির পর সারা দেশে অসংখ্য প্রার্থীর নাম বাদ পড়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও ভেরিফিকেশনে ‘নেগেটিভ’ রিপোর্টের অজুহাতে অনেক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাহুল দাস ফেসবুকে লিখেছেন, “যে মুখ দিয়ে মাকে বলছিলাম মা প্রাইমারিতে চাকরি হয়ে গেছে, সেই মুখ দিয়ে এখন মাকে কীভাবে বলব, মা ভেরিফিকেশনে আমাকে আটকাই দিছে।” তিনি আরও জানান, চাকরির আশায় ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে ফিরে আসা তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
নেটিজেনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গণমাধ্যমকর্মী নূর হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, “প্রাইমারির ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া ভাই-বন্ধুদের পোস্ট দেখে চোখের পানি আটকাতে পারতেছি না।” অন্যদিকে, ওমর ফারুক নামের এক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, চূড়ান্ত ফল প্রকাশের সাত মাস পর অনেকের ভেরিফিকেশন নেগেটিভ দেখানো হয়েছে।
প্রার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মন্তব্যেও চরম অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। অলক পাল নামের একজন ব্যক্তি তার ছোট ভাইয়ের বাদ পড়ার কথা জানিয়ে লিখেছেন, ভেরিফিকেশনের নামে এত প্রার্থীকে একসঙ্গে বাদ পড়তে তিনি আগে কখনো দেখেননি।
অনলাইন ডেক্স 
























