ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি, আহত নারীসহ ২

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৫ Time View

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে একটি প্রাইভেট কার থেকে গুলি চালানোর ঘটনায় বিএনপির নেতা আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। আহত আলমগীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আলমগীর স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। আহত নারী জোসনা (৬৫) নামে পরিচিত, তার পায়ে গুলি লেগেছে এবং তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলমগীর হোসেন দাবি করেন, হামলাকারীরা চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি ছিলেন, যারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তিনি দুজনের নাম রুবেল ও বাপ্পী উল্লেখ করেন এবং তাদের যুবলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেন। তবে হামলার কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন।

আলমগীর জানান, তিনি পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে মাছের আড়তের ব্যবসা করেন এবং বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে বসবাস করছেন।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলের বিরোধ ছিল, যা এই হামলার পেছনের কারণ হতে পারে। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ আকবরের বক্তব্য: খালেদা জিয়ার সংগ্রাম প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে

মিরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি, আহত নারীসহ ২

আপলোড সময় : ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে একটি প্রাইভেট কার থেকে গুলি চালানোর ঘটনায় বিএনপির নেতা আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। আহত আলমগীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আলমগীর স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। আহত নারী জোসনা (৬৫) নামে পরিচিত, তার পায়ে গুলি লেগেছে এবং তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলমগীর হোসেন দাবি করেন, হামলাকারীরা চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি ছিলেন, যারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তিনি দুজনের নাম রুবেল ও বাপ্পী উল্লেখ করেন এবং তাদের যুবলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেন। তবে হামলার কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন।

আলমগীর জানান, তিনি পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে মাছের আড়তের ব্যবসা করেন এবং বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে বসবাস করছেন।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলের বিরোধ ছিল, যা এই হামলার পেছনের কারণ হতে পারে। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, হামলার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন