গাজার একটি আবাসিক এলাকার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর উদ্ধার করা হয়েছে ১১২ জনের দেহাবশেষ। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন শিশু রয়েছে। গত মঙ্গলবার স্থানীয়রা উদ্ধার করা এসব দেহাবশেষ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন করেন।
২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির ওই আবাসিক ব্লকটি ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়। হামলায় সাবরার বেদুইন গোত্র ‘আল-হাসায়না’ পরিবারের প্রায় ৩০৮ সদস্য নিহত হন। হামলার সময় রাত হওয়ায় ভবনের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন।
হামলার পর প্রায় অর্ধেক মরদেহ উদ্ধার করে দাফন করা হলেও ১৫৩ জনের দেহাবশেষ ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়ে যায়। প্রায় তিন বছর পর উদ্ধারকারী দলের ৪০ সদস্য টানা ১৭ দিন অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ ১১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।
গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী ও পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সমতল করা স্থানে জড়ো হন। সেখানে উদ্ধার করা দেহাবশেষ এনে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এটিকে গাজার যুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণজানাজা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে। গতকাল বুধবার প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন।
অনলাইন ডেক্স 
























