ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে খাদ্য কর্মকর্তাদের বরখাস্ত, আটা কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:১৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

জয়পুরহাটের কালাইয়ে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় আটা কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে তিন খাদ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাই উপজেলায় প্রতিদিন দুই টন চাল ও দুই টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়, তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বরাদ্দের পরিমাণের তুলনায় আটা কম সরবরাহ করা হচ্ছিল।

ভুক্তভোগীরা জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও তারা আটা পাচ্ছিলেন না এবং অভিযোগ করেন, আটা কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ূন আহম্মেদ ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

খাদ্য অধিদপ্তর ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। শাকিল আহমেদ বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত

জয়পুরহাটে খাদ্য কর্মকর্তাদের বরখাস্ত, আটা কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৮:১৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

জয়পুরহাটের কালাইয়ে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় আটা কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে তিন খাদ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাই উপজেলায় প্রতিদিন দুই টন চাল ও দুই টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়, তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বরাদ্দের পরিমাণের তুলনায় আটা কম সরবরাহ করা হচ্ছিল।

ভুক্তভোগীরা জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও তারা আটা পাচ্ছিলেন না এবং অভিযোগ করেন, আটা কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ূন আহম্মেদ ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

খাদ্য অধিদপ্তর ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। শাকিল আহমেদ বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন