রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘এখতিয়ারবহির্ভূত তৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগ তুলে বিচারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেটওয়ার্ক। বুধবার (২৯ জুলাই) উপাচার্য বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়।
শিক্ষক নেটওয়ার্ক অভিযোগ করেছেন যে, গত ২৭ জুলাই রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও শিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। হামলার শিকার দুই শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগের মো. আনাস ও সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আহত ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে পুনরায় মারধরের মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্যরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগের তদন্ত ও বিচার করার দায়িত্ব প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
তারা আরও দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে ‘মব জাস্টিস’এর শিকার করা আইনশাসনের জন্য বিপজ্জনক। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নির্বাচনের পর থেকে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সহযোগীরা বারবার এখতিয়ারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন।
শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্যরা প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য।
অনলাইন ডেক্স 

























