রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ঘটনায় ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেপ্তার না হলে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি মামলার আসামির তালিকায় দশ নম্বরে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে এসে তিনি এ কথা জানান। লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “আমি জানি, আজকে যদি আমি না আসি (আদালত) তাহলে মনে করা হবে আমি বোধহয় আত্মগোপনে চলে গেছি। আমি সাধারণত আত্মগোপন করি না।” তিনি জানান, পুলিশ যদি তাকে গ্রেপ্তার না করে তাহলে আগামী রোববার বা সোমবার আদালতে গিয়ে নিজেকে সমর্পণ করবেন।
এদিন শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাজিরা দিয়ে লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, “শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় অভিযুক্ত এজন্য আজ আদালতে এসেছি।” তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
লতিফ সিদ্দিকী আদালতে হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কিন্তু এবার আর ২৮ তারিখের মত অপ্রস্তুত নই। তৈরি হয়ে আছি।” তিনি আদালতে চকলেট নিয়ে আসেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে চকলেট বিতরণ করেন।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার লক্ষ্যে গত ৫ অগাস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ওই সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষা করা। গত বছরের ২৮ অগাস্ট একটি গোলটেবিল বৈঠকের সময় হট্টগোলের ঘটনা ঘটে, যার ফলে লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়।
অনলাইন ডেক্স 























