ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে, যার ফলে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন যে, রাশিয়া জ্বালানি স্থাপনা, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানান, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হেনেছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে বলেন, ‘কিয়েভের উপকণ্ঠে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলে পাঁচতলা একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আঘাত হানে, যার ফলে ভবনটির ক্ষতি হয়েছে। অন্য একটি আবাসিক ভবনের সামনের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে, হামলায় দুজন আহত হয়েছেন এবং একটি কিন্ডারগার্টেন থাকা ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর কর্মকর্তারা বাসিন্দাদের নতুন করে হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে সতর্ক করে যাচ্ছিলেন।
এদিকে, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পশ্চিমা মিত্রদের নিরাপত্তা সহায়তা কার্যকর করার বিষয়ে ইউক্রেন সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা চাইছে। বৃহস্পতিবার রাতে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি এ কথা বলেন। এর আগে ব্রাসেলসে ইউক্রেনের মিত্রদের মধ্যে আলোচনা হয়।
বৈঠকে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন, আগামী বছরের অর্থায়ন এবং পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থনে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। ইউক্রেনের প্রধান আলোচক রুস্তেম উমেরভ জানান, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনলাইন ডেক্স 






















