সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অটোরিকশাচালক কছিম উদ্দিন (৪৮) হত্যার রহস্য প্রায় দুই বছর তিন মাস পর উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়নি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য, বরং দুই ভাইয়ের পারিবারিক বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ও মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মালেক (৪৫) এবং সহযোগী কাকলী রানী (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ। ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নিমগাছি এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন শুক্রবার কাকলী রানীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৪ সালের ১ জুলাই নিমগাছি এলাকায় কছিম উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। তখন অটোরিকশা ছিনতাইয়ের বিষয়টি সামনে আসে। তবে দীর্ঘ তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মালেক হত্যাকাণ্ডের আড়ালে ভ্যান ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। ঘটনার রাতে তিনি সহযোগীদের নিয়ে কছিম উদ্দিনকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যান এবং সেখানে হত্যা করেন। কাকলী ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কছিম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করেন।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান বলেন, অটোরিকশা ছিনতাই হত্যার মূল উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
অনলাইন ডেক্স 






















