সন্তান জন্মগ্রহণের পর শুকরিয়াস্বরূপ যে পশু যবাই করা হয়, তাকে আকিকা বলা হয়। আকিকা করা মুস্তাহাব এবং এটি নবজাতকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় রীতি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সন্তানের জন্য আকিকা করতে হয়। সুতরাং তোমরা তার পক্ষ থেকে জবাই করো।’
অন্যান্য হাদিসে উল্লেখ রয়েছে যে, নবজাতকের জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে আকিকার পশু জবাই করা হয় এবং তার নাম রাখা হয়। তবে অনেক সময় সন্তানের নাম রাখতে গিয়ে ভুলবশত অসুন্দর নাম রাখা হয়, যা পরে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে দ্বিধা রয়েছে যে, আকিকার পর নাম পরিবর্তন করা যাবে কি না এবং নতুন করে আকিকা করতে হবে কি না।
রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তু সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আব্দুর রহমান হোসাইনী জানান, আকিকার পর সন্তানের নাম পরিবর্তন করা যাবে এবং এর জন্য নতুন করে আকিকা করার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, ‘যদি শিশুর প্রথম নামের অর্থ ভালো হয়, তবে তা পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। তবে খারাপ বা অর্থহীন নাম পরিবর্তন করা সওয়াবের কাজ।’
মুফতি আব্দুর রহমান আরও জানান, রাসুলুল্লাহ (সা.) অনেক সাহাবির নাম পরিবর্তন করেছেন যাদের আগের নামের অর্থ খারাপ ছিল। তিনি বলেন, ‘সন্তানের সুন্দর ও অর্থবোধক নাম রাখা মা-বাবার ওপর একটি অধিকার। তাই নাম রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।’
নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যদি নামের অর্থ শিরকপূর্ণ হয়, তবে তা পরিবর্তন করা ফরজ। অন্যদিকে, যদি নামের অর্থ কেবল শ্রুতিকটু বা অশুভ হয়, তবে তা পরিবর্তন করা সুন্নত।
অনলাইন ডেক্স 

























