ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের মারজানা আক্তার

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

২০২৬ সালের ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার। ভাইরোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, সংক্রামক রোগ, বায়োসেফটি ও বায়োসিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা এই বিজ্ঞানীর গবেষণা জীবনে এটি একটি বড় স্বীকৃতি। এর আগে তিনি জাতিসংঘের ‘ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ ২০২৫’-এ বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মারজানা তার এই অর্জনকে বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন গবেষকও যে এশিয়ার সেরা বিজ্ঞানীদের সারিতে স্থান পেতে পারেন, এটি তারই প্রমাণ। জাতিসংঘের ফেলোশিপ তাকে বিজ্ঞান ও গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে।

মারজানার বিজ্ঞানচর্চার শুরু হয়েছিল ছোটবেলার কৌতূহল থেকে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, মানুষ কেন অসুস্থ হয় এবং রোগ কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সমর্থনে তিনি এই কৌতূহলকে পেশায় রূপান্তরিত করেছেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে তিনি প্রশ্ন করার এবং বিশ্লেষণ করার দক্ষতা অর্জন করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গবেষণার অভিজ্ঞতা তাকে বুঝতে সাহায্য করেছে যে, গবেষণার ফল সরাসরি মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।

মারজানার লক্ষ্য হলো এমন গবেষণায় অবদান রাখা, যা সমাজে বাস্তব পরিবর্তন আনবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বপ্নকে ছোট করে না দেখে, শেখার আগ্রহ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছানো সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডিয়ান কবি অ্যান কারসন

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের মারজানা আক্তার

আপলোড সময় : ০২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার। ভাইরোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, সংক্রামক রোগ, বায়োসেফটি ও বায়োসিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা এই বিজ্ঞানীর গবেষণা জীবনে এটি একটি বড় স্বীকৃতি। এর আগে তিনি জাতিসংঘের ‘ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ ২০২৫’-এ বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মারজানা তার এই অর্জনকে বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন গবেষকও যে এশিয়ার সেরা বিজ্ঞানীদের সারিতে স্থান পেতে পারেন, এটি তারই প্রমাণ। জাতিসংঘের ফেলোশিপ তাকে বিজ্ঞান ও গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে।

মারজানার বিজ্ঞানচর্চার শুরু হয়েছিল ছোটবেলার কৌতূহল থেকে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, মানুষ কেন অসুস্থ হয় এবং রোগ কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সমর্থনে তিনি এই কৌতূহলকে পেশায় রূপান্তরিত করেছেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে তিনি প্রশ্ন করার এবং বিশ্লেষণ করার দক্ষতা অর্জন করেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গবেষণার অভিজ্ঞতা তাকে বুঝতে সাহায্য করেছে যে, গবেষণার ফল সরাসরি মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।

মারজানার লক্ষ্য হলো এমন গবেষণায় অবদান রাখা, যা সমাজে বাস্তব পরিবর্তন আনবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বপ্নকে ছোট করে না দেখে, শেখার আগ্রহ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছানো সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন