ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবনের শেষ দিনগুলোর প্রহর গুনছেন আব্দুর রহিম, তৈরি করেছেন নিজের কবর

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:৫১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৬ Time View

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কুশাডাঙ্গা গ্রামে আব্দুর রহিম নামের এক বৃদ্ধ জীবিত অবস্থাতেই নিজের কবর প্রস্তুত করেছেন। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি নিজ হাতে তৈরি করেছেন একটি পাকা কবর, যা চারপাশে পরিপাটি পরিবেশে সাজানো রয়েছে।

আব্দুর রহিম প্রতিদিন নিয়মিতভাবে নিজের কবরের যত্ন নেন এবং ধুলোবালি জমলে নিজেই পরিষ্কার করেন। তিনি শুধু নিজের জন্য নয়, মৃত্যুর পর স্ত্রীকে পাশে দাফন করার জন্য তার জন্যও একটি কবর খুঁড়ে রেখেছেন। তার আত্মীয়স্বজনদের কাছে শেষ আকুতি, মৃত্যুর পর যেন দুজনকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

মৃত্যুর পর সন্তানরা ঠিকঠাক দাফন-কাফন করবেন কি না, এই শঙ্কা থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জীবিত অবস্থাতেই নিজের কুলখানি, চল্লিশা ও দোয়া মাহফিলের মতো ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রেখেছেন তিনি।

এমন ব্যতিক্রমী ঘটনা দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ আব্দুর রহিমের বাড়িতে ভিড় করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতাকে বিরল বলে মনে করছেন।

স্বরূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, আব্দুর রহিমের এই প্রস্তুতি মূলত তার মৃত্যুর পর দাফন সংক্রান্ত শঙ্কা থেকে এসেছে। তিনি প্রায় বছরখানেক আগে চল্লিশা সম্পন্ন করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন পেলেন প্রধানমন্ত্রী থেকে সম্মাননা

জীবনের শেষ দিনগুলোর প্রহর গুনছেন আব্দুর রহিম, তৈরি করেছেন নিজের কবর

আপলোড সময় : ০৩:৫১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কুশাডাঙ্গা গ্রামে আব্দুর রহিম নামের এক বৃদ্ধ জীবিত অবস্থাতেই নিজের কবর প্রস্তুত করেছেন। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি নিজ হাতে তৈরি করেছেন একটি পাকা কবর, যা চারপাশে পরিপাটি পরিবেশে সাজানো রয়েছে।

আব্দুর রহিম প্রতিদিন নিয়মিতভাবে নিজের কবরের যত্ন নেন এবং ধুলোবালি জমলে নিজেই পরিষ্কার করেন। তিনি শুধু নিজের জন্য নয়, মৃত্যুর পর স্ত্রীকে পাশে দাফন করার জন্য তার জন্যও একটি কবর খুঁড়ে রেখেছেন। তার আত্মীয়স্বজনদের কাছে শেষ আকুতি, মৃত্যুর পর যেন দুজনকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

মৃত্যুর পর সন্তানরা ঠিকঠাক দাফন-কাফন করবেন কি না, এই শঙ্কা থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জীবিত অবস্থাতেই নিজের কুলখানি, চল্লিশা ও দোয়া মাহফিলের মতো ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রেখেছেন তিনি।

এমন ব্যতিক্রমী ঘটনা দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ আব্দুর রহিমের বাড়িতে ভিড় করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতাকে বিরল বলে মনে করছেন।

স্বরূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, আব্দুর রহিমের এই প্রস্তুতি মূলত তার মৃত্যুর পর দাফন সংক্রান্ত শঙ্কা থেকে এসেছে। তিনি প্রায় বছরখানেক আগে চল্লিশা সম্পন্ন করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন