ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ: বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কের অবদান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:০০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৫ Time View

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি উত্তম কুমার আজ ৩ সেপ্টেম্বর তার জন্মশতবর্ষ পালন করছেন। ১৯২৬ সালে জন্ম নেওয়া এই মহানায়ক সেলুলয়েডের পর্দায় তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের জন্য আজও দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে আছেন।

উত্তম কুমারের অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৪৮ সালে ‘দৃষ্টিদান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। প্রথমদিকে তার ক্যারিয়ারটি সংগ্রামের মধ্যে কাটলেও ১৯৫২ সালের ‘বসু পরিবার’ এবং ১৯৫৩ সালের ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিগুলো তার ক্যারিয়ারকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যায়।

পঞ্চাশের দশকে তিনি রোমান্টিক নায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘হারানো সুর’, ‘সাগরিকা’ ও ‘সপ্তপদী’ ছবিগুলোতে তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। ষাটের দশকে তিনি চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করে অভিনয় করতে শুরু করেন, যার উদাহরণ হিসেবে সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ উল্লেখযোগ্য।

সত্তরের দশকে উত্তম কুমারের অভিনয় আরও বিস্তৃত হয়। তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেন, যা তাকে দর্শকদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। তার অভিনয়শৈলী এবং সৃজনশীলতা তাকে শুধু একজন অভিনেতা নয়, বরং একজন প্রযোজক, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।

উত্তম কুমারের মৃত্যুর ৪৬ বছর পরও তার অভিনয় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তার কাজগুলো আজও নতুন করে মূল্যায়িত হচ্ছে, যা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার অবদানকে চিরকাল স্মরণীয় করে রাখবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জানুয়ারিতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনের তারিখ ঘোষণা

উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ: বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কের অবদান

আপলোড সময় : ০১:০০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি উত্তম কুমার আজ ৩ সেপ্টেম্বর তার জন্মশতবর্ষ পালন করছেন। ১৯২৬ সালে জন্ম নেওয়া এই মহানায়ক সেলুলয়েডের পর্দায় তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের জন্য আজও দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে আছেন।

উত্তম কুমারের অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৪৮ সালে ‘দৃষ্টিদান’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। প্রথমদিকে তার ক্যারিয়ারটি সংগ্রামের মধ্যে কাটলেও ১৯৫২ সালের ‘বসু পরিবার’ এবং ১৯৫৩ সালের ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিগুলো তার ক্যারিয়ারকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যায়।

পঞ্চাশের দশকে তিনি রোমান্টিক নায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘হারানো সুর’, ‘সাগরিকা’ ও ‘সপ্তপদী’ ছবিগুলোতে তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। ষাটের দশকে তিনি চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করে অভিনয় করতে শুরু করেন, যার উদাহরণ হিসেবে সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ উল্লেখযোগ্য।

সত্তরের দশকে উত্তম কুমারের অভিনয় আরও বিস্তৃত হয়। তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেন, যা তাকে দর্শকদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। তার অভিনয়শৈলী এবং সৃজনশীলতা তাকে শুধু একজন অভিনেতা নয়, বরং একজন প্রযোজক, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করে।

উত্তম কুমারের মৃত্যুর ৪৬ বছর পরও তার অভিনয় নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তার কাজগুলো আজও নতুন করে মূল্যায়িত হচ্ছে, যা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার অবদানকে চিরকাল স্মরণীয় করে রাখবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন