ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের নেতার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৪ Time View

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার একটি গ্রামের তিনজন বাসিন্দার কাছ থেকে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাত হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী ব্যক্তিরা টাকা দেওয়ার পর কার্ড না পাওয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি ও হুমকির শিকার হয়েছেন।

কালেঙ্গা গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৭) লিখিত অভিযোগে জানান, প্রায় দুই মাস আগে অভিযুক্ত মো. আবুল কালাম (৫৫) তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেন। একইভাবে তার চাচি মজিদা খাতুনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং শিমুলাটিয়া গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেন।

সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, টাকা দেওয়ার পর আবুল কালাম বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং পরে টাকা ফেরত চাইলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। লতিফ বলেন, “আমি গরিব মানুষ। আমাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কালাম পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন।”

অভিযুক্ত মো. আবুল কালাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ মিথ্যা। আমি বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” তিনি জানান, অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে, নান্দাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুল ইসলাম আকন্দের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা বলেন, “কৃষক কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে পাওনাদারদের চাপের পর ব্যবসায়ী পিন্টু দাস সপরিবারে নিখোঁজ

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের নেতার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার একটি গ্রামের তিনজন বাসিন্দার কাছ থেকে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাত হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী ব্যক্তিরা টাকা দেওয়ার পর কার্ড না পাওয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি ও হুমকির শিকার হয়েছেন।

কালেঙ্গা গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৭) লিখিত অভিযোগে জানান, প্রায় দুই মাস আগে অভিযুক্ত মো. আবুল কালাম (৫৫) তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেন। একইভাবে তার চাচি মজিদা খাতুনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং শিমুলাটিয়া গ্রামের মো. লতিফ মিয়ার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেন।

সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, টাকা দেওয়ার পর আবুল কালাম বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং পরে টাকা ফেরত চাইলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। লতিফ বলেন, “আমি গরিব মানুষ। আমাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কালাম পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন।”

অভিযুক্ত মো. আবুল কালাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ মিথ্যা। আমি বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” তিনি জানান, অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে, নান্দাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুল ইসলাম আকন্দের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা বলেন, “কৃষক কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন