ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা সম্ভব নয়: কৃষিমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৩ Time View

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কেউ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবে না। তিনি বুধবার (২৬ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, একটি দল সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তবে সরকারের গোডাউনে সারের মজুদ রয়েছে। তিনি বলেন, বাজারে সারের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি সার মজুদ আছে এবং সরকার কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। তিনি কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের সারের প্রয়োজনীয়তা এবং উৎপাদনের তথ্য সরকারের কাছে থাকবে।

এছাড়া, মন্ত্রী জানান, মিনি কোল্ড স্টোরেজের উন্নয়ন করা হবে যাতে কৃষকরা মৌসুমের সময় ন্যায্য দাম পেতে পারেন। তিনি বলেন, গাজরের দাম মৌসুমে ৩-৪ টাকা কেজি হলেও মৌসুম শেষে তা ১০০ টাকা কেজি হয়ে যায়। মিনি কোল্ড স্টোরেজের মাধ্যমে গাজর দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে পাওনাদারদের চাপের পর ব্যবসায়ী পিন্টু দাস সপরিবারে নিখোঁজ

সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা সম্ভব নয়: কৃষিমন্ত্রী

আপলোড সময় : ১০:৪০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কেউ সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারবে না। তিনি বুধবার (২৬ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, একটি দল সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তবে সরকারের গোডাউনে সারের মজুদ রয়েছে। তিনি বলেন, বাজারে সারের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি সার মজুদ আছে এবং সরকার কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে। তিনি কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের সারের প্রয়োজনীয়তা এবং উৎপাদনের তথ্য সরকারের কাছে থাকবে।

এছাড়া, মন্ত্রী জানান, মিনি কোল্ড স্টোরেজের উন্নয়ন করা হবে যাতে কৃষকরা মৌসুমের সময় ন্যায্য দাম পেতে পারেন। তিনি বলেন, গাজরের দাম মৌসুমে ৩-৪ টাকা কেজি হলেও মৌসুম শেষে তা ১০০ টাকা কেজি হয়ে যায়। মিনি কোল্ড স্টোরেজের মাধ্যমে গাজর দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন