ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরিয়াহবিরোধী আইন বাতিলের দাবি জানালেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:০০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১২ Time View

বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক বলেছেন, কোরআন ও হাদিসবিরোধী কোনো আইন সংবিধানে থাকলে তা বাতিল হওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, শরিয়াহবিরোধী আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

আজ বুধবার সকালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত শানে রেসালত সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী, আদর্শ ও ইসলামি শরিয়াহর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, আইন প্রণেতারা পশ্চিমা আইন গ্রহণ করতে পারেন, তবে দেশীয় আইনকে ইসলামি শরিয়াহর সমতুল্য মনে করা উচিত নয়। তিনি বলেন, যদি কোনো আইন কোরআন-হাদিসের নির্দেশনার পরিপন্থি হয়, তাহলে তা সংশোধন বা বাতিল করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের শপথ নেন, কিন্তু যদি কোনো বিধান কোরআন, হাদিস ও ইসলামী শরিয়াহর মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

কাদিয়ানিদের প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, তারা নিজেদের মুসলমান দাবি করে, তবে তাদের আকিদা মূলধারার ইসলামের সঙ্গে মৌলিকভাবে ভিন্ন। তিনি তাদের নিয়ে মুসলিম সমাজে চলমান বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজনের জন্য খরচ ৩ মিলিয়ন ডলার

শরিয়াহবিরোধী আইন বাতিলের দাবি জানালেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

আপলোড সময় : ০৫:০০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক বলেছেন, কোরআন ও হাদিসবিরোধী কোনো আইন সংবিধানে থাকলে তা বাতিল হওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, শরিয়াহবিরোধী আইন মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

আজ বুধবার সকালে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত শানে রেসালত সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনী, আদর্শ ও ইসলামি শরিয়াহর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, আইন প্রণেতারা পশ্চিমা আইন গ্রহণ করতে পারেন, তবে দেশীয় আইনকে ইসলামি শরিয়াহর সমতুল্য মনে করা উচিত নয়। তিনি বলেন, যদি কোনো আইন কোরআন-হাদিসের নির্দেশনার পরিপন্থি হয়, তাহলে তা সংশোধন বা বাতিল করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণের শপথ নেন, কিন্তু যদি কোনো বিধান কোরআন, হাদিস ও ইসলামী শরিয়াহর মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

কাদিয়ানিদের প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, তারা নিজেদের মুসলমান দাবি করে, তবে তাদের আকিদা মূলধারার ইসলামের সঙ্গে মৌলিকভাবে ভিন্ন। তিনি তাদের নিয়ে মুসলিম সমাজে চলমান বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন