ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাফুফের স্টাফদের কাছে ৩৫ লাখ টাকা অগ্রিম, কয়েকজনের বেতন ‘ক্লোজড’

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৮ Time View

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্টাফদের কাছে অগ্রিম পাওনার পরিমাণ ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৭০ টাকা দাঁড়িয়েছে। এ অর্থের মধ্যে কয়েকজন স্টাফের কাছে পাওনা প্রায় লাখ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় তাদের বেতন ‘ক্লোজড’ করে রাখা হয়েছে।

বাফুফের নির্বাহী কমিটি বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও স্টাফদের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার কারণে অগ্রিম অর্থের সমন্বয় হয়নি।

সর্বোচ্চ পাওনার তালিকায় রয়েছেন ওমেন্স উইংয়ের এক্সিকিউটিভ তৌহিদ, যার কাছে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়া মিডিয়া বিভাগের দুই এক্সিকিউটিভের কাছেও ১০ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম রয়েছে।

নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসানুর রবিনের কাছে মে মাস পর্যন্ত সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম ছিল, কিন্তু তিনি জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৪ হাজার টাকার হিসাব জমা দিয়েছেন। জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়া এক্সিকিউটিভ মোস্তাকিমের কাছেও ৪ লাখ টাকার বেশি অসমন্বিত ব্যয় রয়েছে।

বাফুফের অ্যাকাউন্টস বিভাগের তত্ত্বাবধানে অগ্রিমের হিসাব ও বিল জমা দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে। একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও অনেক এক্সিকিউটিভ এক বছরের বেশি সময় ধরে হিসাব সমন্বয় করেননি। এ পরিস্থিতিতে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও সাধারণ সম্পাদককে ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় গলাকাটা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, গ্রেপ্তার আল-আমিন

বাফুফের স্টাফদের কাছে ৩৫ লাখ টাকা অগ্রিম, কয়েকজনের বেতন ‘ক্লোজড’

আপলোড সময় : ০১:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্টাফদের কাছে অগ্রিম পাওনার পরিমাণ ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৭০ টাকা দাঁড়িয়েছে। এ অর্থের মধ্যে কয়েকজন স্টাফের কাছে পাওনা প্রায় লাখ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় তাদের বেতন ‘ক্লোজড’ করে রাখা হয়েছে।

বাফুফের নির্বাহী কমিটি বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও স্টাফদের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার কারণে অগ্রিম অর্থের সমন্বয় হয়নি।

সর্বোচ্চ পাওনার তালিকায় রয়েছেন ওমেন্স উইংয়ের এক্সিকিউটিভ তৌহিদ, যার কাছে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়া মিডিয়া বিভাগের দুই এক্সিকিউটিভের কাছেও ১০ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম রয়েছে।

নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসানুর রবিনের কাছে মে মাস পর্যন্ত সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম ছিল, কিন্তু তিনি জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৪ হাজার টাকার হিসাব জমা দিয়েছেন। জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়া এক্সিকিউটিভ মোস্তাকিমের কাছেও ৪ লাখ টাকার বেশি অসমন্বিত ব্যয় রয়েছে।

বাফুফের অ্যাকাউন্টস বিভাগের তত্ত্বাবধানে অগ্রিমের হিসাব ও বিল জমা দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে। একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও অনেক এক্সিকিউটিভ এক বছরের বেশি সময় ধরে হিসাব সমন্বয় করেননি। এ পরিস্থিতিতে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও সাধারণ সম্পাদককে ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন