ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় গলাকাটা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, গ্রেপ্তার আল-আমিন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:৪৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৩ Time View

আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহতের নাম মো. কামরুল খান (৪৪) এবং তার বাবার নাম মৃত করিম খান।

পিবিআই জানায়, গত ১৬ আগস্ট আশুলিয়া থানার বাসাইদ এলাকায় একটি ভাড়া কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। বাড়ির মালিক বিষয়টি পুলিশকে জানালে, পুলিশ কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বুধবার (১৯ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় মো. আল-আমিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে নিহতের মোবাইল ফোন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, কামরুল ও আল-আমিন একই এলাকার বাসিন্দা এবং তারা ৮ আগস্ট খুলনা থেকে আশুলিয়ায় আসেন। ১৪ আগস্ট রাতে কাজের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আল-আমিন কামরুলের কাছে টাকা চান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে আল-আমিন কামরুলকে ছুরিকাঘাত করেন।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর আল-আমিন কক্ষটি তালাবদ্ধ করে আশুলিয়া ছেড়ে চলে যান। তদন্তে আরও জানা গেছে, ভাড়া দেওয়ার সময় বাড়ির মালিক ভাড়াটেদের পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করেননি, ফলে মরদেহ উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, বকেয়া বেতনের দাবি

আশুলিয়ায় গলাকাটা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত, গ্রেপ্তার আল-আমিন

আপলোড সময় : ০৬:৪৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহতের নাম মো. কামরুল খান (৪৪) এবং তার বাবার নাম মৃত করিম খান।

পিবিআই জানায়, গত ১৬ আগস্ট আশুলিয়া থানার বাসাইদ এলাকায় একটি ভাড়া কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে। বাড়ির মালিক বিষয়টি পুলিশকে জানালে, পুলিশ কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বুধবার (১৯ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় মো. আল-আমিন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে নিহতের মোবাইল ফোন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, কামরুল ও আল-আমিন একই এলাকার বাসিন্দা এবং তারা ৮ আগস্ট খুলনা থেকে আশুলিয়ায় আসেন। ১৪ আগস্ট রাতে কাজের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আল-আমিন কামরুলের কাছে টাকা চান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং একপর্যায়ে আল-আমিন কামরুলকে ছুরিকাঘাত করেন।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর আল-আমিন কক্ষটি তালাবদ্ধ করে আশুলিয়া ছেড়ে চলে যান। তদন্তে আরও জানা গেছে, ভাড়া দেওয়ার সময় বাড়ির মালিক ভাড়াটেদের পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করেননি, ফলে মরদেহ উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন