ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনিয়মের অভিযোগের পরও বহাল জাজিরার পিআইও, প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেই

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পরও শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইস্রাফিলের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে 'ম্যানেজ মানি'র নামে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ অর্থ কেটে কমিশন নেওয়া হতো। এছাড়া ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

গত ৬ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটালে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পরও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পিআইও ইস্রাফিল একটি প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় পদে বহাল থাকার চেষ্টা করছেন এবং কেরানীগঞ্জে বদলির চেষ্টা করছেন। এদিকে, তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বাশার এখনও অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করছেন, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান বলেন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা চাইলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে তাকে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শামিমা নাজনীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর ইমামতির পর বিদায়, ঘোড়ার গাড়িতে সম্মান জানালেন এলাকাবাসী

অনিয়মের অভিযোগের পরও বহাল জাজিরার পিআইও, প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেই

আপলোড সময় : ০৬:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পরও শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইস্রাফিলের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে 'ম্যানেজ মানি'র নামে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ অর্থ কেটে কমিশন নেওয়া হতো। এছাড়া ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

গত ৬ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাক ডিজিটালে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পরও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পিআইও ইস্রাফিল একটি প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় পদে বহাল থাকার চেষ্টা করছেন এবং কেরানীগঞ্জে বদলির চেষ্টা করছেন। এদিকে, তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বাশার এখনও অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করছেন, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান বলেন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা চাইলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে তাকে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শামিমা নাজনীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন