ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য বাঁকড়া মসজিদে নামাজ বন্ধের প্রতিবাদে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের আজ পথে নামার ডাক দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তবে মসজিদ কমিটির নেতারা সেখানে যেতে পারেননি।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানা যায়, মসজিদে প্রবেশপথের সামনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অবাঞ্ছিত কাউকে জমায়েত করতে দেয়নি এবং ভারতীয় ন্যায় সংহীতার ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়।
মসজিদ কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, আজ জুমার নামাজ আদায় এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে। তবে আজ বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেট এলাকায় পৌঁছে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিদ্দিকুল্লা পরে তার সমর্থকদের নিয়ে কাছের আরেকটি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। এদিকে, কলকাতার কয়েকটি এলাকায় কিছু মুসল্লিকে নামাজের সময় হাতে কালো কাপড় বেঁধে নীরব প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।
বিমানবন্দরসংলগ্ন বাঁকড়া মসজিদ সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে যে, গত ১১ জুলাই থেকে মসজিদে যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করেছে, ১৩৬ বছরের পুরোনো এই মসজিদে নামাজ বন্ধের আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি।
মসজিদ কমিটি জানায়, ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদে একসময় আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ নামাজ আদায় করতেন। আজ সেখানে জমায়েতের চেষ্টা করা হলেও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ১৬৩ ধারা জারির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
অনলাইন ডেক্স 





















