ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ২০৬ Time View

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে। তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে শিরীন সুলতানার উত্থাপিত জরুরি নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। শিরীন সুলতানা বলেন, অনেক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীর পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেন, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে নকল ওষুধ তৈরির কারখানা শনাক্ত করেছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ডিসপেনসারি বা ফার্মেসি অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করতে পারবে না। এ বিষয়ে আইন রয়েছে এবং এটি চলমান তদারকি কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে আরও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নকল ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের একাদশে তিনটি পরিবর্তন

বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৭:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে। তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং নির্ধারিত কোর্স সম্পন্ন না করার কারণে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে শিরীন সুলতানার উত্থাপিত জরুরি নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। শিরীন সুলতানা বলেন, অনেক মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসির বিক্রয়কর্মীর পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করেন, যা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে নকল ওষুধ তৈরির কারখানা শনাক্ত করেছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা ও শহরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনো ডিসপেনসারি বা ফার্মেসি অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করতে পারবে না। এ বিষয়ে আইন রয়েছে এবং এটি চলমান তদারকি কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে আরও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নকল ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন