ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে এজলাসে আসেন এবং বেলা ১টা ৫৩ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। মামলার চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগী তরুণী, তার স্বামী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের শিক্ষক এবং ফরেনসিক চিকিৎসক।

সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শাহ মাহবুবুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। তদন্তে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিলেন ইরানের সাবেক কমান্ডার

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০৪:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে এজলাসে আসেন এবং বেলা ১টা ৫৩ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। মামলার চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগী তরুণী, তার স্বামী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের শিক্ষক এবং ফরেনসিক চিকিৎসক।

সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শাহ মাহবুবুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। তদন্তে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ডিএনএ পরীক্ষায় ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন