ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২৩৫ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে তিতাস নদী ও আশপাশের বিলে অবৈধ জালবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, রিং জাল ও চিংড়ি মাছ ধরার বোতল ফাঁদ জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে কাউতলী কুরুলিয়া খাল থেকে শুরু করে ভাদুঘরের পূর্বদিকে বোয়ালীয়া বিলসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযান চলাকালে আনন্দবাজার এলাকায় অবস্থানরত জেলেদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে নদী, খাল ও বিলের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আইন মেনে মাছ আহরণের বিষয়ে সচেতন করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, “নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে। জেলেদের অবশ্যই আইন মেনে মাছ ধরতে হবে। কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “তিতাস নদী এ অঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান এস এম জিলানীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ

আপলোড সময় : ০৮:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে তিতাস নদী ও আশপাশের বিলে অবৈধ জালবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, রিং জাল ও চিংড়ি মাছ ধরার বোতল ফাঁদ জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে কাউতলী কুরুলিয়া খাল থেকে শুরু করে ভাদুঘরের পূর্বদিকে বোয়ালীয়া বিলসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযান চলাকালে আনন্দবাজার এলাকায় অবস্থানরত জেলেদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে নদী, খাল ও বিলের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আইন মেনে মাছ আহরণের বিষয়ে সচেতন করা হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, “নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে। জেলেদের অবশ্যই আইন মেনে মাছ ধরতে হবে। কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “তিতাস নদী এ অঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন