কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় টানা কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। বৃষ্টিপাত কমে আসায় দুই উপজেলার অধিকাংশ নদ-নদী ও ছড়ার পানি হ্রাস পেয়েছে। তবে প্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে।
সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যায় হাজার হাজার একর আমনের বীজতলা, সবজিক্ষেত, মাছের ঘের ও পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাঁচা ও আধাপাকা অসংখ্য বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় অনেক এলাকার যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে। কৃষক, মাছচাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বন্যার পানি কমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া অনেক পরিবার নিজেদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। কিছু এলাকায় সড়ক যোগাযোগ পুনরায় চালু হয়েছে, তবে কিছু নিম্নাঞ্চলে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত থাকায় যোগাযোগ সীমিত রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপি ও বিভিন্ন সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল কবির চৌধুরী জানান, ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কারের দাবি জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, কালভার্ট ও ঘরবাড়ি সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। চকরিয়া উপজেলার জন্য ১১৫ টন চাল ও সাড়ে ৬ লাখ টাকা এবং মাতামুহুরী উপজেলার জন্য ৪০ টন চাল ও ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 





















