ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে বন্যার পানি কমছে, মানুষ ফিরছে ঘরে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০৬ Time View

বান্দরবান পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে, ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ডুবে থাকা পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বান্দরবান পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পানি নেমে গেছে, তবে রাস্তার চারপাশে কাদা ও ময়লার স্তূপ পড়ে আছে। বন্যার কারণে আসবাবপত্র, বইখাতা ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে, যা পচে গন্ধ বের হচ্ছে।

বান্দরবান পৌরসভার কর্মকর্তারা জানান, পানি নেমে যাওয়ার পর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এলাকা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেছেন। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতার গাড়ি সড়কে নামানো হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, বৃষ্টিপাত না বাড়লে পানি আরও কমবে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে সাড়ে তিন হাজার মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

বান্দরবানে বন্যার পানি কমছে, মানুষ ফিরছে ঘরে

আপলোড সময় : ১১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বান্দরবান পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে, ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ডুবে থাকা পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বান্দরবান পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পানি নেমে গেছে, তবে রাস্তার চারপাশে কাদা ও ময়লার স্তূপ পড়ে আছে। বন্যার কারণে আসবাবপত্র, বইখাতা ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে, যা পচে গন্ধ বের হচ্ছে।

বান্দরবান পৌরসভার কর্মকর্তারা জানান, পানি নেমে যাওয়ার পর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এলাকা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেছেন। পৌরসভার পরিচ্ছন্নতার গাড়ি সড়কে নামানো হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, বৃষ্টিপাত না বাড়লে পানি আরও কমবে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে সাড়ে তিন হাজার মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন