ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার বিল পাস

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

জাতীয় সংসদে 'বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬' পাস হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়। নতুন আইনে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যিক বা অলাভজনক কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে ২৮ জুন বিলটি প্রথম সংসদে উত্থাপন করা হলে তা সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়। সোমবার কমিটির সুপারিশ ও প্রতিবেদনসহ বিলটি উপস্থাপনের পর কণ্ঠভোটে তা চূড়ান্তভাবে পাস হয়।

নতুন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে বাণিজ্যিক বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গঠন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় কোম্পানির শেয়ার অর্জন, ধারণ ও হস্তান্তর করার ক্ষমতাও পাবে। এসব উদ্যোগ থেকে অর্জিত আয় চিকিৎসাসেবা উন্নয়ন, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণায় ব্যয় করা হবে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিলটির বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনা নীতিগতভাবে সমীচীন নয়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই বিধানে স্বাস্থ্যসেবা বাজারমুখী হয়ে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিরোধীদের সমালোচনা নাকচ করে বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সরকার তা নিশ্চিত করবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রতিমন্ত্রী অমিত

মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনার বিল পাস

আপলোড সময় : ১১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

জাতীয় সংসদে 'বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬' পাস হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়। নতুন আইনে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যিক বা অলাভজনক কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে ২৮ জুন বিলটি প্রথম সংসদে উত্থাপন করা হলে তা সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়। সোমবার কমিটির সুপারিশ ও প্রতিবেদনসহ বিলটি উপস্থাপনের পর কণ্ঠভোটে তা চূড়ান্তভাবে পাস হয়।

নতুন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে বাণিজ্যিক বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গঠন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় কোম্পানির শেয়ার অর্জন, ধারণ ও হস্তান্তর করার ক্ষমতাও পাবে। এসব উদ্যোগ থেকে অর্জিত আয় চিকিৎসাসেবা উন্নয়ন, চিকিৎসা শিক্ষা এবং গবেষণায় ব্যয় করা হবে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিলটির বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালনা নীতিগতভাবে সমীচীন নয়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই বিধানে স্বাস্থ্যসেবা বাজারমুখী হয়ে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিরোধীদের সমালোচনা নাকচ করে বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সরকার তা নিশ্চিত করবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন