ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরীক্ষা নেওয়া কিংবা স্থগিত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, ঢাকার বৃষ্টিপরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বৈঠক করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, গতকাল থেকেই দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রশ্নফাঁসের গুজব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাস্তবে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে একটি প্রতারক চক্র ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়মের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ভোলার চরফ্যাশনের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং কুমিল্লায় এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনলাইন ডেক্স 























