ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা ঈসা মানসুরীর ইন্তেকাল

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:০০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০০ Time View

ভারতের গুজরাটে জন্ম নেয়া প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার, লেখক ও চিন্তক মাওলানা মুহাম্মদ ঈসা মানসুরী ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাতের শেষ প্রহরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তাহাজ্জুদের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ইন্তেকালে ইসলামি চিন্তা, গবেষণা ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মাওলানা ঈসা মানসুরী দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে লন্ডনে বসবাস করছিলেন। তিনি ছিলেন পশ্চিমা দর্শনের সমালোচক, মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারক এবং আলেমদের চিন্তা ও মনন গঠনে নিবেদিত একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। মানবশোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।

১৯৯২ সালে পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা জাহিদুর রাশেদীসহ কয়েকজন চিন্তাবিদ ও সহযোগীর সঙ্গে তিনি ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ফোরাম প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি সংগঠনটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামি অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিশিষ্টজন। শোকবার্তায় তারা তাকে পশ্চিমা দর্শনের সমালোচক, মাদরাসার সংস্কারক এবং আলেমদের প্রশিক্ষণ ও মনন গঠনে নিবেদিত এক সাহসী চিন্তাবিদ হিসেবে অভিহিত করেন।

শোকবার্তায় আরও বলা হয়, তার ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ একজন প্রাজ্ঞ ইসলামি চিন্তাবিদ, দূরদর্শী আলেম এবং কলমের মাধ্যমে দীনের খেদমতে নিবেদিত মহান ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু

প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার মাওলানা ঈসা মানসুরীর ইন্তেকাল

আপলোড সময় : ০৫:০০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ভারতের গুজরাটে জন্ম নেয়া প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার, লেখক ও চিন্তক মাওলানা মুহাম্মদ ঈসা মানসুরী ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিবাগত রাতের শেষ প্রহরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তাহাজ্জুদের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার ইন্তেকালে ইসলামি চিন্তা, গবেষণা ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মাওলানা ঈসা মানসুরী দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে লন্ডনে বসবাস করছিলেন। তিনি ছিলেন পশ্চিমা দর্শনের সমালোচক, মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারক এবং আলেমদের চিন্তা ও মনন গঠনে নিবেদিত একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। মানবশোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।

১৯৯২ সালে পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা জাহিদুর রাশেদীসহ কয়েকজন চিন্তাবিদ ও সহযোগীর সঙ্গে তিনি ওয়ার্ল্ড ইসলামিক ফোরাম প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি সংগঠনটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ইসলামি অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিশিষ্টজন। শোকবার্তায় তারা তাকে পশ্চিমা দর্শনের সমালোচক, মাদরাসার সংস্কারক এবং আলেমদের প্রশিক্ষণ ও মনন গঠনে নিবেদিত এক সাহসী চিন্তাবিদ হিসেবে অভিহিত করেন।

শোকবার্তায় আরও বলা হয়, তার ইন্তেকালে মুসলিম উম্মাহ একজন প্রাজ্ঞ ইসলামি চিন্তাবিদ, দূরদর্শী আলেম এবং কলমের মাধ্যমে দীনের খেদমতে নিবেদিত মহান ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন