বাংলাদেশে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে হাসির নাটক ও কান্নার নাটক দুটি ধারাই জনপ্রিয়। দর্শকশ্রেণি, দেখার মাধ্যম এবং সময়ভেদে এই দুই ধারার প্রতি মানুষের আগ্রহের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ইউটিউব ভিউ, টেলিভিশন টিআরপি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ড বিশ্লেষণ করলে নাটকের বাজার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।
হাসির নাটকের মূল দর্শক তরুণ সমাজ, শিক্ষার্থী, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মফস্বলের সাধারণ মানুষ। ইউটিউব, টিকটক বা ফেসবুক রিলসে এসব নাটক দ্রুত ভিউ পায়। অন্যদিকে, কান্নার নাটকের মূল দর্শক পরিবারকেন্দ্রিক মানুষ, গৃহিণী এবং বয়োজ্যেষ্ঠ প্রজন্ম। এই নাটকগুলো সাধারণত পরিবার নিয়ে বা রাতে নিবিড় মনোযোগে দেখা হয়।
ডিজিটাল যুগে নাটকের জনপ্রিয়তা মূলত অ্যালগরিদম ও বাণিজ্যিক মডেলের ওপর নির্ভর করে। হাসির নাটক বিশেষ করে ঈদের মতো উৎসবের মৌসুমে ট্রেন্ডিং তালিকার বেশিরভাগ জুড়েই থাকে। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকরা গভীর আবেগ ও মেলোড্রামা দেখতে বেশি পছন্দ করেন।
বর্তমান সময়ের কমেডি নাটকের বিরুদ্ধে অনেক সময় মানহীন গল্প তৈরির অভিযোগ ওঠে। তবে আবেগঘন নাটক দর্শকমনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। অতীতে হুমায়ূন আহমেদের নাটক থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের রোমান্টিক বা ট্র্যাজেডি ঘরানার কাজগুলো মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখে।
হাসির নাটকের চাহিদা বেশি থাকলেও, দর্শক মনে গভীর সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রে আবেগঘন নাটক এগিয়ে রয়েছে। বর্তমানে সফল নাটকগুলোতে হাসি ও কান্নার একটি ভারসাম্যপূর্ণ মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 
























