রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার কারণে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট একের পর এক বাতিল ও স্থগিত হয়েছে, যা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সৌদিতে প্রবেশ করতে না পারলে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে, ফলে চাকরি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা কর্মীদের এ অনিশ্চয়তা কাটাতে সৌদি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে ফ্লাইট স্থগিতের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
ফেনী থেকে আসা মোহাম্মদ রাব্বি জানান, রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে এসে জানতে পারেন, তার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। তার ভিসার মেয়াদ ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত, তাই নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে যেতে না পারলে জটিলতায় পড়তে পারেন।
অন্যদিকে, শুক্কুর মিয়া নামের আরেক কর্মীও একই অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তিনি সকাল ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন চাকরিতে যোগ দিতে দাম্মাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এখন তার চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইট বিপর্যয়ে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার সৌদিগামী যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এখন পর্যন্ত রিয়াদগামী ৬১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 






















