কুমিল্লায় চলমান কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো চাপ নেই বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। তিনি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘আমার কুমিল্লা’ অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, “আজ পর্যন্ত আমাকে কেউ ফোন দেয় সবাই সাধুবাদ জানিয়েছে। কেউ চাপ দিলে আমি আপনাদের সামনে নাম প্রকাশ করে দেব।” তিনি অভিযানের নামে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ থাকলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি জানান, যেসব শিক্ষার্থী বা কিশোর অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়, তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, সন্ধ্যার পর সন্তানদের বাইরে না রাখার জন্য।
কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় আসে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের পর। গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার জানান, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লার ১৮টি থানায় অভিযান শুরু হয়। ২৩ সেপ্টেম্বরের অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়, যার মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সর্বশেষ রবিবারের অভিযানে ৪৭৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বন্ধ করা গেলে জেলার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এসপি আনিসুজ্জামান ঘোষণা দেন, “কিশোর গ্যাং নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।”
অনলাইন ডেক্স 























