ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ২৪ জেলার ৭ কোটি মানুষের উপকার হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:২০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০০ Time View

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল পাবেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, নৌযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল, কিন্তু বর্তমানে নদীটি মানুষের কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় নদীর পানি প্রবাহের কারণে ভাঙন ও প্লাবন হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দেয়। এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এ দুই ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলের পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে এবং নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ের চেষ্টা চলছে।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে এবং দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চান এবং জানান, প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সাময়িকভাবে কিছু কষ্ট হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠে ১৩ বছরের অপরাজিত রাজত্ব অব্যাহত

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ২৪ জেলার ৭ কোটি মানুষের উপকার হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৩:২০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল পাবেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, নৌযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল, কিন্তু বর্তমানে নদীটি মানুষের কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় নদীর পানি প্রবাহের কারণে ভাঙন ও প্লাবন হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দেয়। এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এ দুই ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলের পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে এবং নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ের চেষ্টা চলছে।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে এবং দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চান এবং জানান, প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সাময়িকভাবে কিছু কষ্ট হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন