জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আরও সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। তবে মামলার এ পর্যায়ে নতুন সাক্ষী আনার বিরোধিতা করেছে ডিফেন্স, তাদের দাবি এতে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ আবেদনের ওপর শুনানি হয়। বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের প্যানেল শুনানি গ্রহণ করেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি জানান, গত ৩ সেপ্টেম্বর ডিফেন্সকে আবেদনের কপি দেওয়া হয়েছে এবং এদিন একজন সাক্ষীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
ডিফেন্স আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় বলেন, মামলায় এরই মধ্যে ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং ফরমাল চার্জ দাখিলের সময় কেন এসব সাক্ষীকে আনা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি সতর্ক করেন যে অতিরিক্ত সাক্ষী আনা হলে তা ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করবে।
ট্রাইব্যুনাল জানায়, মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্রসিকিউশন অতিরিক্ত এভিডেন্স উপস্থাপন করতে পারে। এ সময় নতুন সাক্ষীর জেরার প্রস্তুতির জন্য দুই সপ্তাহ সময় চান ডিফেন্স আইনজীবী। পরে মামলায় ১২ নম্বর সাক্ষী হিসেবে মো. শাকিল আহমেদ জবানবন্দি দেন। তিনি ক-গেজেটভুক্ত একজন জুলাইযোদ্ধা এবং আন্দোলনের সময় তিনি এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগে বিচার চলছে। গত ১২ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগগুলো আমলে নেওয়া হয় ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক নীতিগত সিদ্ধান্ত নেন এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেন।
অনলাইন ডেক্স 

























