ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালালের দরগার তৃতীয় দফা দানবাক্স খোলা হচ্ছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৩ Time View

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে স্থাপিত নতুন দানবাক্সগুলো তৃতীয়বারের মতো খোলা হচ্ছে। আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে গণনা শুরু হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মাজার ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক স্বচ্ছতা কমিটির সদস্য এবং সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, গণনা শেষে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ সবার জন্য প্রকাশ করা হবে।

গত ১২ জুন, মাজার কর্তৃপক্ষ ৫ কোটি টাকা দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে না পারায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম মাজার পরিদর্শন করেন। হিসাব দিতে না পারায় ১৮ জুন দানের ডেগগুলো সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। সরকার এটিকে ‘রুটিন বদলি’ হিসেবে উল্লেখ করে।

২৬ জুন, স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে সিলেট সার্কিট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মাজার পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে কাজ করবে।

২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স খোলা হলে ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় খোলার পর পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এবার তৃতীয় দফার গণনার পর কত টাকা পাওয়া যাবে, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাই পলিটেকনিকে মোবাইল স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৩

শাহজালালের দরগার তৃতীয় দফা দানবাক্স খোলা হচ্ছে

আপলোড সময় : ০১:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে স্থাপিত নতুন দানবাক্সগুলো তৃতীয়বারের মতো খোলা হচ্ছে। আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে গণনা শুরু হয়েছে। সিলেটের জেলা প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মাজার ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক স্বচ্ছতা কমিটির সদস্য এবং সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, গণনা শেষে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ সবার জন্য প্রকাশ করা হবে।

গত ১২ জুন, মাজার কর্তৃপক্ষ ৫ কোটি টাকা দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে না পারায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম মাজার পরিদর্শন করেন। হিসাব দিতে না পারায় ১৮ জুন দানের ডেগগুলো সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। সরকার এটিকে ‘রুটিন বদলি’ হিসেবে উল্লেখ করে।

২৬ জুন, স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে সিলেট সার্কিট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মাজার পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে কাজ করবে।

২২ জুন প্রথম দফায় দানবাক্স খোলা হলে ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় খোলার পর পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এবার তৃতীয় দফার গণনার পর কত টাকা পাওয়া যাবে, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন