কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দমদমিয়া এলাকার ১৪ নম্বর ব্রীজে সম্প্রতি ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দিনদুপুরে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে বিকাশের দুই কর্মীর কাছ থেকে এই অর্থ লুট করা হয়। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও এখনও লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার হয়নি, যা ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পরিবহন মালিকরা নিরাপত্তার স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, লুটের ঘটনায় আক্তার হোসেন, নজরুল ইসলাম, রোহিঙ্গা আয়াস, হোসেন আলী ও রূপবাহারকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া লুট হওয়া ২ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান জানান, লুট হওয়া অর্থের একটি অংশ অস্ত্র কেনায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত রবিবার (৯ আগস্ট) টেকনাফ আদালতে রোহিঙ্গা আয়াস ও হোসেন আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি বিকাশের সেলস সুপারভাইজার মো. হানিফের ওপর হামলা চালিয়ে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা লুট করা হয়। স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন, এই ঘটনার পর ডাকাতরা আবারও এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস দেখিয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, ১৪ নম্বর ব্রিজ এলাকায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ সংঘটিত করে আসছে। তারা অপরাধ করার পর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে আশ্রয় নেয়, যা তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলার তদন্তে অগ্রগতি রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা এই সড়কে ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
অনলাইন ডেক্স 
























