ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীপুর পৌরসভায় কলমের অস্বাভাবিক বিল: অভিযোগের তদন্ত শুরু

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০২ Time View

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভায় স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে ৪ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দোকানিদের দাবি, পাইকারি বাজারে একটি মেটাডোর বলপেনের দাম ৪ টাকা, যা খুচরায় ৫ টাকা।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই শ্রীপুর পৌরসভা স্টেশনারি সামগ্রীর ১০টি আইটেম ক্রয়ের জন্য কোটেশন আহ্বান করে। ১২ জুলাই কোটেশন খোলার পর তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, যার মধ্যে মোরাদ এন্টারপ্রাইজ ক্রয় আদেশ পায়।

কোটেশন অনুযায়ী ১০০টি মেটাডোর বলপেনের মূল্য ৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলে প্রতিটি কলমের মূল্য ১২০ টাকা উল্লেখ করে। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান কোটেশন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছেন এবং সরকারি অর্থ উত্তোলনের জন্য অধিক মূল্যে বিল তৈরি করেছেন। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ আখতার জানিয়েছেন, বিধি অনুযায়ী কোটেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং মোট বিলের পরিমাণ সঠিক রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঁইয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুয়া-ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে কথা বলায় কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে জখম, মানববন্ধন

শ্রীপুর পৌরসভায় কলমের অস্বাভাবিক বিল: অভিযোগের তদন্ত শুরু

আপলোড সময় : ০৬:২০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভায় স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে ৪ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দোকানিদের দাবি, পাইকারি বাজারে একটি মেটাডোর বলপেনের দাম ৪ টাকা, যা খুচরায় ৫ টাকা।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই শ্রীপুর পৌরসভা স্টেশনারি সামগ্রীর ১০টি আইটেম ক্রয়ের জন্য কোটেশন আহ্বান করে। ১২ জুলাই কোটেশন খোলার পর তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়, যার মধ্যে মোরাদ এন্টারপ্রাইজ ক্রয় আদেশ পায়।

কোটেশন অনুযায়ী ১০০টি মেটাডোর বলপেনের মূল্য ৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলে প্রতিটি কলমের মূল্য ১২০ টাকা উল্লেখ করে। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান কোটেশন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছেন এবং সরকারি অর্থ উত্তোলনের জন্য অধিক মূল্যে বিল তৈরি করেছেন। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ আখতার জানিয়েছেন, বিধি অনুযায়ী কোটেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং মোট বিলের পরিমাণ সঠিক রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভূঁইয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন