সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৯ জন নিহতের ঘটনায় জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। শনিবার (৭ আগস্ট) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
তদন্ত কমিটিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহাকে প্রধান করা হয়েছে। এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানান, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে ওসমানীনগরের কাশিকাপুর এলাকায় ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে সাতজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর ৩ থেকে ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক জানান, দুর্ঘটনায় আহত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর আহত এক ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। নিহতদের দাফন-কাফনের জন্য প্রতিটি পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চালকদের বেপরোয়া গতি অথবা ঘুমিয়ে পড়াকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা, পঙ্গুত্ব বরণকারীদের ৩ লাখ টাকা এবং চিকিৎসাধীন আহতদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অনলাইন ডেক্স 
























