ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২৫ Time View

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কাস্টমস অকশন শেডে রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এসব পণ্য, যার মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ এনার্জি ড্রিংক ও ছাড়পত্রবিহীন শ্যাম্পু।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সিদ্ধান্তে এই পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা চার কনটেইনারে ৮৩ টনের বেশি ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ ছিল, যার উৎপাদনের তারিখ ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর।

অন্যদিকে, ধ্বংস করা শ্যাম্পুর চালানটির জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। এই শ্যাম্পুর চালানটি গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ‘ম্যাক পয়েন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা হয়েছিল।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দরে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। যদি কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নেন, তবে নোটিশ দেওয়া হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যে সরবরাহ না হলে তা নিলামে তোলা যায়। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি বিবেচনায় এসব পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ পণ্য ধ্বংস কার্যক্রমে কাস্টমসের নিলাম সহায়ক প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন সহযোগিতা করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস

আপলোড সময় : ০৮:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কাস্টমস অকশন শেডে রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এসব পণ্য, যার মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ এনার্জি ড্রিংক ও ছাড়পত্রবিহীন শ্যাম্পু।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সিদ্ধান্তে এই পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা চার কনটেইনারে ৮৩ টনের বেশি ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ ছিল, যার উৎপাদনের তারিখ ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর।

অন্যদিকে, ধ্বংস করা শ্যাম্পুর চালানটির জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি। এই শ্যাম্পুর চালানটি গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ‘ম্যাক পয়েন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা হয়েছিল।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দরে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। যদি কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নেন, তবে নোটিশ দেওয়া হয় এবং ১৫ দিনের মধ্যে সরবরাহ না হলে তা নিলামে তোলা যায়। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি বিবেচনায় এসব পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ পণ্য ধ্বংস কার্যক্রমে কাস্টমসের নিলাম সহায়ক প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন সহযোগিতা করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন