ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে র‌্যাবের আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল: তদন্তে নতুন তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০১ Time View

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে’ রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি, যার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, আয়নাঘর পরিদর্শনকালে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমানের বর্ণনা অনুযায়ী একটি রুম দেখা হয়েছে। যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন, তা সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে জানা গেছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে র‍্যাব-১’র আয়নাঘরে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখানে মোট ২৯টি রুম রয়েছে এবং এগুলো কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ অন্যান্য সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি।

গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওইদিন র‍্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে র‌্যাবের আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল: তদন্তে নতুন তথ্য

আপলোড সময় : ০২:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে’ রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি, যার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, আয়নাঘর পরিদর্শনকালে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমানের বর্ণনা অনুযায়ী একটি রুম দেখা হয়েছে। যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন, তা সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে জানা গেছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে র‍্যাব-১’র আয়নাঘরে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখানে মোট ২৯টি রুম রয়েছে এবং এগুলো কেন নির্মাণ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ অন্যান্য সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি।

গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওইদিন র‍্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন