ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক, তদন্তের নির্দেশ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২৩২ Time View

রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুককে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তার বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ জুলাই শিশুটি পড়তে গেলে ওমর ফারুক তাকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন। শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। শিশুটির মা বলেন, এমন ঘটনার শিকার হতে হবে, তা তিনি কখনও কল্পনাও করেননি।

অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও তার পরিবার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, শিশুটি মূলত তার স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে এবং ঘটনার দিন তার স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, বিষয়টি তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে এবং আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক, তদন্তের নির্দেশ

আপলোড সময় : ১১:১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের পাকারমাথা এলাকায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুককে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন এবং স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। তার বড় ভাই আবু বক্কর একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ১২ জুলাই শিশুটি পড়তে গেলে ওমর ফারুক তাকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন। শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। শিশুটির মা বলেন, এমন ঘটনার শিকার হতে হবে, তা তিনি কখনও কল্পনাও করেননি।

অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও তার পরিবার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, শিশুটি মূলত তার স্ত্রীর কাছেই পড়তে আসে এবং ঘটনার দিন তার স্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তিনি পড়াচ্ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, বিষয়টি তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে এবং আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন