ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ২৩০ Time View

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় এস.এ পরিবহনের মাধ্যমে পার্সেলটি পাঠানো হয়। পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়।

জানা যায়, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান সোয়া ১২টার দিকে পার্সেলটি রিসিভ করেন। বাক্স খুলে ভেতরে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং একটি চিরকুট দেখতে পান। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

এ বিষয়ে মো. ফারুক বলেন, তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তার কঠোর অবস্থানের কারণে কেউ ক্ষিপ্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার (ওসি) লিমন বোস জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

আপলোড সময় : ০৪:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় এস.এ পরিবহনের মাধ্যমে পার্সেলটি পাঠানো হয়। পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়।

জানা যায়, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুকের ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান সোয়া ১২টার দিকে পার্সেলটি রিসিভ করেন। বাক্স খুলে ভেতরে কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং একটি চিরকুট দেখতে পান। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।’

এ বিষয়ে মো. ফারুক বলেন, তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তার কঠোর অবস্থানের কারণে কেউ ক্ষিপ্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার (ওসি) লিমন বোস জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন