ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে মিনি টর্নেডোর আঘাত, ক্ষতিগ্রস্ত চেয়ার ও ছাতা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ২০০ Time View

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আচমকা একটি মিনি টর্নেডো আঘাত হেনেছে। এই ঘটনায় সৈকতে পর্যটকদের বসার জন্য রাখা অর্ধশতাধিক কাঠের চেয়ার ও ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টর্নেডোটি মাত্র ৩ থেকে ৫ মিনিট স্থায়ী ছিল। সাগরের মাঝখান থেকে কালো মেঘের মতো একটি ঘূর্ণি সুগন্ধা পয়েন্টের বালুচরের দিকে ধেয়ে আসে। এ সময় সৈকতে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

কক্সবাজার কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, সাগর থেকে সৃষ্ট একটি শক্তিশালী ঘূর্ণি বালুচরের দিকে এগোতে থাকে। বেলা পৌনে ৩টার দিকে এটি সুগন্ধা পয়েন্টের মূল সৈকতে আঘাত হানে, যার ফলে ব্যবসায়ীদের ৫২টি কাঠের চেয়ার এবং ৬১টি ছাতা ভেঙে যায়।

মেহেদী হাসান নামের এক পর্যটক ঘটনার সময় সুগন্ধা পয়েন্টে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, মুহূর্তের মধ্যে সাগরের মাঝ থেকে কুন্ডলী পাকিয়ে বাতাসটি বিচের দিকে ধেয়ে আসে। তিনি চোখের সামনে চেয়ার ও ছাতাগুলো বাতাসে উড়তে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম শাহানুল ইসলাম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ভিডিও শেয়ার করে জানান, এটি মূলত সাগর থেকে পানি তুলে আনা ঘূর্ণি, যা বালুচরে এসে বালির ঘূর্ণিবাত বা ছোট টর্নেডোর রূপ নেয়। তবে এটি কোনো বড় আকারের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় নয়, বরং তীরের কাছাকাছি মেঘের ও বাতাসের তারতম্যের কারণে এমন স্বল্পস্থায়ী টর্নেডোর সৃষ্টি হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন সংসদের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা অনেক: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

কক্সবাজার সৈকতে মিনি টর্নেডোর আঘাত, ক্ষতিগ্রস্ত চেয়ার ও ছাতা

আপলোড সময় : ১১:১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আচমকা একটি মিনি টর্নেডো আঘাত হেনেছে। এই ঘটনায় সৈকতে পর্যটকদের বসার জন্য রাখা অর্ধশতাধিক কাঠের চেয়ার ও ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টর্নেডোটি মাত্র ৩ থেকে ৫ মিনিট স্থায়ী ছিল। সাগরের মাঝখান থেকে কালো মেঘের মতো একটি ঘূর্ণি সুগন্ধা পয়েন্টের বালুচরের দিকে ধেয়ে আসে। এ সময় সৈকতে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

কক্সবাজার কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, সাগর থেকে সৃষ্ট একটি শক্তিশালী ঘূর্ণি বালুচরের দিকে এগোতে থাকে। বেলা পৌনে ৩টার দিকে এটি সুগন্ধা পয়েন্টের মূল সৈকতে আঘাত হানে, যার ফলে ব্যবসায়ীদের ৫২টি কাঠের চেয়ার এবং ৬১টি ছাতা ভেঙে যায়।

মেহেদী হাসান নামের এক পর্যটক ঘটনার সময় সুগন্ধা পয়েন্টে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, মুহূর্তের মধ্যে সাগরের মাঝ থেকে কুন্ডলী পাকিয়ে বাতাসটি বিচের দিকে ধেয়ে আসে। তিনি চোখের সামনে চেয়ার ও ছাতাগুলো বাতাসে উড়তে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম শাহানুল ইসলাম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ভিডিও শেয়ার করে জানান, এটি মূলত সাগর থেকে পানি তুলে আনা ঘূর্ণি, যা বালুচরে এসে বালির ঘূর্ণিবাত বা ছোট টর্নেডোর রূপ নেয়। তবে এটি কোনো বড় আকারের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় নয়, বরং তীরের কাছাকাছি মেঘের ও বাতাসের তারতম্যের কারণে এমন স্বল্পস্থায়ী টর্নেডোর সৃষ্টি হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন