ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি ঘোষণা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০২ Time View

বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি ঘোষণা করেছে সরকার। বিদ্যালয়টি এখন থেকে ‘তিন্দু সরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচিত হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের আত্তীকরণ করা হবে, তবে তাদের চাকরি বদলিযোগ্য হবে না।

গত ২৮ জুন জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিদ্যালয়টির জাতীয়করণের উদ্যোগের কথা জানান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেনের সংগ্রামের গল্প সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারছিল না, ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে সংকট দেখা দেয়।

এই সংকট মোকাবিলায় প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন ছুটির দিনগুলোতে নৌকা চালিয়ে আয় করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করেন। তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন একটি বোটের ব্যবস্থা এবং নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি ১২ কোটি মানুষের গণভোটের রায় মানছে না: গোলাম পরওয়ার

বান্দরবানের তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি ঘোষণা

আপলোড সময় : ০৭:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি ঘোষণা করেছে সরকার। বিদ্যালয়টি এখন থেকে ‘তিন্দু সরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচিত হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের আত্তীকরণ করা হবে, তবে তাদের চাকরি বদলিযোগ্য হবে না।

গত ২৮ জুন জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিদ্যালয়টির জাতীয়করণের উদ্যোগের কথা জানান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেনের সংগ্রামের গল্প সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারছিল না, ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে সংকট দেখা দেয়।

এই সংকট মোকাবিলায় প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন ছুটির দিনগুলোতে নৌকা চালিয়ে আয় করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করেন। তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন একটি বোটের ব্যবস্থা এবং নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন