ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী: বিদেশে মাকে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, সেরা সেবা পেয়েছি দেশে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ২০০ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদেশে মাকে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, কারণ দেশে চিকিৎসকরা যে মানবিক সেবা দিয়েছেন, তা বিদেশে পাওয়া যেত না। তিনি শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে তার মায়ের চিকিৎসা করেছেন এবং মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেবা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদেশে গেলে হয়তো প্রযুক্তিগত সুবিধা পাওয়া যেত, কিন্তু মানবিক সেবা পাওয়া সম্ভব ছিল না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইতিহাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা শহীদ ও আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এখন রাজধানীর মানুষের নির্ভরতার প্রতীক। তিনি বলেন, একজন রোগী যখন বিপদে পড়ে, তখন চিকিৎসকদের ওপর ভরসা করে।

তিনি স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানোর জন্য প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী: বিদেশে মাকে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, সেরা সেবা পেয়েছি দেশে

আপলোড সময় : ০২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদেশে মাকে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, কারণ দেশে চিকিৎসকরা যে মানবিক সেবা দিয়েছেন, তা বিদেশে পাওয়া যেত না। তিনি শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে তার মায়ের চিকিৎসা করেছেন এবং মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেবা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদেশে গেলে হয়তো প্রযুক্তিগত সুবিধা পাওয়া যেত, কিন্তু মানবিক সেবা পাওয়া সম্ভব ছিল না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইতিহাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা শহীদ ও আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এখন রাজধানীর মানুষের নির্ভরতার প্রতীক। তিনি বলেন, একজন রোগী যখন বিপদে পড়ে, তখন চিকিৎসকদের ওপর ভরসা করে।

তিনি স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানোর জন্য প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন